ওরা নামলে রাস্তায়, ভয় থাকেনা বাংলায়…

দেখুন, ওরা জুলাই থেকে আগস্ট রাস্তায় ছিলো। কি হতে পারে ওরা নামলে? নিশ্চয় অনুধাবন করতে পারছেন।

ওদের আবার রাস্তায় নামতে হয়েছে। ওরা বেশিদিন থাকলে কিন্তু সবকটা চেয়ার নরে যাবে। বিশেষ করে যে চেয়ারগুলোতে বসে কেউ চাটুকারিতা করছেন, কেউ মেঝে থেকে চেয়ারে বসে অট্টহাসি হাসি দিচ্ছেন, যে চেয়ারগুলোতে বসে ওদের অর্জনটাকে নিজের হিরোগিরি ভাবছেন বা ওদের অর্জন নিজের স্বার্থে ব্যবহার করছেন। একেক জনকে রাষ্ট্রের শাসক ভাবা শুরু করেছেন! তাদের জন্য ওরা এবার খুব ভিন্ন রুপে হাজির হবে সত্যি।

বিশ্বাস করেন সমাজে অন্যায়ের মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে ওরা আপনার সন্তান কিন্তু আপনার বাঁধা মানবেনা।

হ্যা এটাই সত্য!
ওরা বুক চিতিয়ে দাড়িয়ে যাবে। আমি ওদের সাহস দেখেছি জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে।

মূলত এই ইউনিফর্মটা বিপ্লবীর ইউনিফর্ম। আমার কাছে। এ ইউনিফর্মগুলোকে আমি চিনি এবং নাম দিয়েছি বিপ্লবের ইউনিফর্ম।

সুতরাং বিপ্লবীরা রাস্তায় নেমেছে মানে কি?

চেয়ারগুলো শক্ত করে ধরে বসুন। যদি আবার নিজেকে বড় হনু ভেবে থাকেন, তবে হনু আপনি পতনের সুর শুনতে পাবেন। এই হনু শুধু সরকার না। এই সব চেয়ার শুধু সরকারি চেয়ার না। সন্ত্রাসীদের আতুরঘরের চেয়ারেও বসে থেকে পার পাবেন না।

এই সোনার টুকরো ছাত্ররা একটা সুন্দর বাংলাদেশের জন্য বিপ্লব সংঘটিত করেছিলো। ওরা পড়তে বসতে চায়। কিন্তু প্রতিটি চাটুকার চেয়ার ওদের পড়া ব্যহত করছে।

শক্ত হাতে দেশ ধরেন প্লিজ। এই যে এত আইনশৃঙ্খলার অবনতি। একটার পর একটা ঘটনা। আমি অন্তবর্তী সরকারকে বলবো এগুলোকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ঘোষণা দিয়ে মোকাবেলা করেন। আমি সাধারন জনগন। আমি চাইনা ধর্ষকরা, ডাকাতরা রাস্তায় নামুক। সন্ত্রাসীরা দেশটাকে মগের মূলক ভেবে ফেলুক। এদেশে আর একটাও সমাজ খেকো রক্তচক্ষু দেখার কোন মানসিক ইচ্ছা আমার নেই।

এগিয়ে যাও ছাত্রসমাজ, আগামির বাংলাদেশ বিনির্মানে তোমার হাতের স্পর্শ খুবই প্রত্যাশিত।

ছবি স্থান: ঠাকুরগাঁও।

মো: সোহেল রানা
সংবাদকর্মী ও লেখক
ঠাকুরগাঁও।